সর্বশেষ সংবাদ ::

৪৩ কোটিতে সাতানী জমিদার বাড়ি বিক্রি’ শিরোনামে বিভ্রান্তি অনুসন্ধানে মিললো ভিন্ন তথ্য

বগুড়া সংবাদ : “৪৩ কোটিতে বিক্রি হলো বগুড়ার ঐতিহাসিক সাতানী জমিদার বাড়ি”, এমন শিরোনামে সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত খবর নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল দাবি করেছেন, সংবাদটি অতিরঞ্জিত ও আংশিক সত্যের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়েছে, যা ঐতিহাসিক স্থাপনাটির প্রকৃত অবস্থান সম্পর্কে জনমনে ভুল ধারণা তৈরি করেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঐতিহ্যবাহী সাতানী জমিদার বাড়ির পুরো ভবন বা মূল স্থাপনা বিক্রি হয়নি। বাড়িটির উত্তর- পূর্ব পাশ্বে কিছু জমি উত্তরাধিকার সূত্রে মালিকানাধীন অংশ হিসেবে ইতিপূর্বেও বিক্রি করা হয়েছে এবং বিক্রিত জায়গা গুলোতে স্থাপনা নির্মিত হয়েছে। বর্তমানে পূর্ব -দক্ষিণ পাশ্বে কিছু অংশ বিক্রি হয়েছে। কিন্তু কিছু গণমাধ্যমে এমনভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে মনে হয় পুরো জমিদার বাড়িটিই বিক্রি হয়ে গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাতানী জমিদার বাড়ির মূল ভবন অবিক্রীত যা এখনো অক্ষত রয়েছে এবং আগের মতোই দাঁড়িয়ে আছে।

মালিকপক্ষের অনেকেই জানিয়েছে,প্রচারিত সংবাদে ব্যবহৃত ছবি এবং বিক্রিত জমির বাস্তব অবস্থানের মধ্যে কোনো মিল নেই। এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়েছেন।

তাদের দাবি, ঐতিহাসিক বাড়ির ছবি ব্যবহার করে সীমিত জমি বিক্রির ঘটনাকে পুরো বাড়ি বিক্রির মতো উপস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পারিবারিক সম্পত্তি দীর্ঘদিন আগে থেকেই বিভিন্ন অংশে ভাগ হয়ে গেছে। দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থানরত কয়েকজন উত্তরাধিকারীর অংশও আইনগত প্রক্রিয়ায় বিক্রি হয়েছে।

তাই এমন ঐতিহাসিক স্থাপনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশে দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন।
সচেতন মহল বলছেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ও ছবি ব্যবহার করলে জনমনে ভুল বার্তা যায় এবং প্রকৃত ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়টি আড়ালে পড়ে যায়।

সচেতন মহলের অনেকের দাবির কারনে, সাতানী জমিদার বাড়ি নিয়ে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্যের সঠিক ব্যাখ্যা প্রকাশ করার চেষ্টা করা হয়েছে।

Check Also

বগুড়ায় জামায়াত ও শিবিরের দায়িত্বশীলদের সাথে আমিরে জামায়াতের মতবিনিময়

বগুড়া সংবাদ  : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *