সর্বশেষ সংবাদ ::

বগুড়ার সোনাতলায় হত্যার উদ্দেশ্যে পা বিচ্ছিন্ন করার মামলার আসামী গ্রেফতার

বগুড়া সংবাদঃ বগুড়ার সোনাতলায় হত্যার উদ্দেশ্যে পা বিচ্ছিন্ন করার মামলার আসামী গ্রেফতার।গত ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ বগুড়া জেলার সোনাতলা থানায় ভিকটিমের ভাই মোঃ আব্দুল মতিন একটি অভিযোগ দায়ের করেন যে, সোনাতলা থানাধীন গ্রামকরমজা গ্রামের ভিকটিম মোঃ আঃ রশিদ (৪৫), এর সাথে আসামী মোঃ মুঞ্জু মিয়া (৩৪), সাং-গ্রামকরমজা, থানা- সোনাতলা, জেলা- বগুড়ার সাথে টাকা-পঁয়সা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ঝগড়া হয়। এরই সূত্র ধরে গত ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ ভিকটিম তার কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য সোনাতলা থানাধীন গ্রামকরমজা দক্ষিণপাড়া গ্রামস্থ জনৈক মোঃ খালেক এর দোকান সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর পৌছাতেই আসামী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে এলোপাথারী মারপিটসহ হত্যার উদ্দেশ্যে হাসুয়া, লোহার রড দিয়ে গুরুতর জখম করে। এতে ভিকটিমের একটি পা শরীর হতে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়ায় ভর্তি করা হয়। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোনাতলা থানায় একটি মামলা রুজু হয়। যার নং- ০৫, তারিখ  ০৬/১২/২৩ ধারা- ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৫০৬/১১৪/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বগুড়াসহ সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এ ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব আসামীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে। এরই ফলশ্রæতিতে অদ্য ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ ০০.১০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সিপিএসসি, বগুড়ার চৌকস আভিযানিক দল বগুড়া সদর থানা এরুলিয়া বানদিঘি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এজাহার নামীয় ২নং আসামী মো মুঞ্জু মিয়া (৩৪), পিতা- মৃত টুকু প্রাং, সাং- গ্রামকরমজা, থানা- সোনাতলা, জেলা- বগুড়া’কে গ্রেফতার করে। উল্লেখ্য যে, ধৃত আসামী গ্রেফতার এড়াইতে ও মামলার সাজা হইতে পরিত্রান পাইতে স্থানীয় আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশী হতে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে আত্মগোপনে ছিলো। গ্রেফতারকৃত আসামীগণকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোনাতলা থানা, বগুড়ায় সোপর্দ করা হয়েছে।

Check Also

বগুড়ায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন

  বগুড়া সংবাদ : বৃক্ষ দিয়ে সাজাই দেশ সমৃদ্ধ করি বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *