সর্বশেষ সংবাদ ::

শেরপুরে জমে উঠেছে মৌসুমি কৃষি শ্রমিকের হাট

{“source_type”:”vicut”,”data”:{“client_key”:”aw889s25wozf8s7e”,”source_type”:”vicut”,”source_platform”:”mobile_2″,”appVersion”:”17.3.0″,”enterFrom”:”new_image”,”os”:”android”,”product”:”vicut”,”editType”:”image_edit”,”region”:”US”,”picture_id”:”8O6E7JHN-2R20-YVC0-6ENF-U8H8DV2XXFWY”,”pictureId”:”8O6E7JHN-2R20-YVC0-6ENF-U8H8DV2XXFWY”,”capability_name”:”capcut_photo_editor”},”tiktok_developers_3p_anchor_params”:”{“client_key”:”aw889s25wozf8s7e”,”source_type”:”vicut”,”source_platform”:”mobile_2″,”appVersion”:”17.3.0″,”enterFrom”:”new_image”,”os”:”android”,”product”:”vicut”,”editType”:”image_edit”,”region”:”US”,”picture_id”:”8O6E7JHN-2R20-YVC0-6ENF-U8H8DV2XXFWY”,”pictureId”:”8O6E7JHN-2R20-YVC0-6ENF-U8H8DV2XXFWY”,”capability_name”:”capcut_photo_editor”}”}
শেরপুর (বগুড়া) সংবাদদাতা: বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় জমে উঠেছে মোসুমি কৃষি শ্রমিকের হাট। শেরপুর উপজেলার শেরপুর-ধুনট রোডের আলীয়া মাদরাসা গেট সংলগ্ন করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে ভোরের আলো ফোটার আগেই চোখে পড়ে কয়েক শত মানুষের জটলা। এখানে শ্রমিকেরা আসেন কাজের আশায়। জমির মালিকেরাও দরদাম করে শ্রমিকদের নিতে এখানে আসেন। বোরো ধান কাটার মৌসুম হওয়ায় শ্রমিকদের ভিড়ে এখন জমজমাট ওই হাট। এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শেরপুরে বিভিন্ন এলাকায় এখন চলছে বোরো ধান কাটার মৌসুম। এ কারণে শেরপুর সহ আশে পাশের অঞ্চল ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিকেরা আসে ওই হাটে। স্থানীয় ভাষায় কেউ কেউ বলেন কামলার হাট (কৃষি শ্রমিকের হাট)। গত মঙ্গলবার সকালে ওই হাটে গিয়ে অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রংপুর, নীলফামারী, বগুড়ার সহ বিভিন্ন জেলা এবং শেরপুর উপজেলার আমইন, বোডেরহাট, দারুগ্রাম, চন্ডেশ্বর, পানিসারা, খানপুর, খামারকান্দি, ঘোড়দৌড় গ্রাম সহ বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজন এখানে এসেছেন কৃষিকাজের সন্ধানে। অন্য জেলা থেকে যাঁরা আসেন তাঁরা বেশি দিনের জন্য কাজে চুক্তিবদ্ধ হন। ভোর সাড়ে চারটা থেকে আটটা পর্যন্ত চলে এ শ্রমিকের হাট। তবে সময় যত বাড়তে থাকে, শ্রমিকের সংখ্যা ততই কমতে থাকে। শেরপুুরের শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের সেরুয়া গ্রামের হানিফ উদ্দিন, জাহাঙ্গীর হোসেন সহ আরও ১০-১২ জন জমির মালিককে শ্রমিকদের কাজে নিতে দেখা যায়। এ সময় কথা হলে হানিফ উদ্দিন বলেন, আড়াই বিঘা জমিতে এ বছর সুফললতা ধান আবাদ করেছেন। ধান পেঁকে গেছে অন্যদিকে আবহাওয়া ভাল না। তাই ৯০০ টাকা হিসাবে ১৪ জন ধান কাটার কামলা ( ধান কাটার শ্রমিক) নিলাম। বর্তমানে এখানে একজন শ্রমিক প্রতিদিন ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা মজুরি পান। ওই হাটে কথা হয় শেরপুর উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের বোডের হাট এলাকার কৃষি শ্রমিক জলিল মিয়া, জসিম, রহমত ও আয়াজ মিয়ার সঙ্গে। তাঁরা জানান, এখানে আসলে সহজেই ধাঁন কাটার কাজ পাওয়া যায়। দিন চুক্তিতে জমির ধান কাটেন। প্রতিবছর এই সময়ে তাঁরা এখানে ধান কাটার জন্য আসেন। এ সময় কৃষিশ্রমিকের মজুরিও বেশি থাকে। এক মাস কাজ করলে খেয়েদেয়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা নিয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারেন।

Check Also

বগুড়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়া সংবাদ : বগুড়ার শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪চার জন নিহত হলেও অলৌকিকভাবে বেচে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *