সর্বশেষ সংবাদ ::

শেরপুরে জমি দখলে বাধা: হামলা, ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি

শেরপুর (বগুড়া):
বগুড়ার শেরপুরে প্রমিজান মেটাল কোম্পানির কেনা জমি জোরপূর্বক পাশের ইটভাটার মালিক ফিরোজ আহম্মেদ দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে ও ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবিকরে এবং বাধা দেওয়ায় হামলা করে কোম্পানির কয়েকজন কর্মীকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শেরপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রমিজান মেটাল কোম্পানির প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম জানান, মির্জাপুর (রাজাপুর) এলাকায় তাদের কোম্পানির কেনা জমির পাশেই অভিযুক্ত ফিরোজ আহম্মেদের একটি ইটভাটা রয়েছে। অভিযুক্তরা ওই জমি তাদের ভাটার জন্য লিজ নিতে চায়। কোম্পানির মালিক কামাল হোসেন লিজ দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং হুমকি দেয়।
এরই জেরে গত ২ এপ্রিল সকাল ১১টার দিকে ফিরোজ হোসেন ও তার ছেলে আ. রহিমসহ রাবিকুলসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জোরপূর্বক ওই জমি দখলের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে কোম্পানির লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের ওপর হামলা চালায়।
তারেদ হামলায় প্রমিজান মেটাল কোম্পানির কর্মী ইয়াসিন আরাফাত জিহাদ মাথায় বাঁশের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন এবং তার কান দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়। এছাড়া মো. আলাউদ্দিন নামের আরেক কর্মীকে এলোপাতাড়ি মারধর করে তার পকেট থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়।
পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত জিহাদকে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, তারাই আমাদের ক্ষতি করেছে।
এ বিষয়ে শেরপুর থানা অফিসর ইনচার্জ এসএম মঈনুদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। থানায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রমান হলে মামলা রেকর্ড করা হবে।

Check Also

শেরপুরে পৌরসভার উন্নয়নে মতবিনিময় সভা

শেরপুর (বগুড়া) সংবাদদাতা: বগুড়ার শেরপুর পৌর এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *