বগুড়া সংবাদ : বগুড়ার নন্দীগ্রামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গকে সাইবার বø্যাকমেইল করার অভিযোগ উঠেছে। মো. জামাল হোসেন নন্দীগ্রাম উপজেলা যুবদলের অন্যতম সদস্য ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিপচা) এর উপজেলা কমিটির সভাপতি। তাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এআই এর মাধ্যমে অশ্লীন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করা হয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি রাতে নন্দীগ্রাম থানায় জামাল হোসেন একটি সাধারণ ডায়রি করেন। সাধারণ ডায়রি নম্বর-৫০৩। সাধারণ ডায়রিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১১ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৮.৫৫ ঘটিকার সময় জামাল হোসেন বাসস্ট্যান্ড এলঅকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একটি বিদেশি নম্বর (৯১৯২৬৫২১১৮৯) থেকে কল আসে। অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তি নিজেকে গোপন রেখে জামাল হোসেনের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ওই ব্যক্তি জামাল হোসেনকে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত করতে ভয়ংকর হুমকি প্রদান করে। শুধু তাই নয়, মোটা অংকের চাঁদা না দিলে এআই এর মাধ্যমে অশ্লীন ছবি ও আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্মান ধুলিসৎ করে দেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী জামাল হোসেন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি এবং সামাজিক আন্দোলনের সাথে জড়িত। আমার সম্মান নষ্ট করার জন্য একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এই সাইবার অপরাধের আশ্রয় নিয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এদিকে একজন পরিচিতনেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবককে এভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে হেনস্তার ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
সচেতন মহল মনে করছেন, এআই প্রযুক্তির এমন অপব্যবহার বর্তমান সময়ে সুস্থ ধারার রাজনীতি ও সমাজসেবার জন্য এক চ্যালেঞ্জ।
কিছু আগে বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী সাবেক এম পি আলহাজ্ব মো. মোশারফ হোসেনকে এআই এর মাধ্যমে অশ্লীন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
Bogra Sangbad সত্য সন্ধানে আমরা
