বগুড়া সংবাদ : আসন্ন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনকে কেন্দ্র করে বগুড়া জেলাজুড়ে রাজনীতিতে বইছে আলোচনা ও আগ্রহের ঝড়। এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এ্যাডভোকেট মোছা: রহিমা খাতুন মেরী—যিনি তৃণমূল থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে একজন শক্তিশালী, গ্রহণযোগ্য ও সময়োপযোগী প্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনরত রহিমা খাতুন মেরী ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ১৯৯১ সালে সরকারি শাহ সুলতান কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু। পরবর্তীতে তিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, যুবদল, কৃষকদল, জাসাসসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
গত ১৬ বছরের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে তিনি একাধিক হামলা শিকার হলেও কখনো আপস করেননি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সাহসী ও অগ্রণী ভূমিকা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন প্রেরণা জুগিয়েছে। এমনকি জেলা বিএনপির নির্দেশনায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা করার সাহসী পদক্ষেপও নিয়েছেন—যা সে সময়ে অনেকের কাছেই ছিল অকল্পনীয়।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া-এর আপসহীন নেতৃত্বে বিশ্বাসী এই ত্যাগী নেত্রী একই সঙ্গে তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
পারিবারিকভাবেও তিনি দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী আদর্শে বেড়ে ওঠা। তাঁর পিতা প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করেন এবং তাঁর সান্নিধ্যে রানার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন—যা রহিমা খাতুন মেরীর রাজনৈতিক ও মানবিক চেতনায় গভীর প্রভাব ফেলেছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিমত স্পষ্ট—মাঠপর্যায়ের রাজনীতি, সাংগঠনিক দক্ষতা, সাহসী অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এ্যাডভোকেট রহিমা খাতুন মেরী এখন আস্থা, যোগ্যতা ও জনসমর্থনের প্রতীক।
রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক থেকে জাতীয় রাজনীতির সম্ভাবনাময় মুখ—তৃণমূলের জোরালো কণ্ঠে একটাই নাম, এ্যাডভোকেট রহিমা খাতুন মেরী।
Bogra Sangbad সত্য সন্ধানে আমরা
