সর্বশেষ সংবাদ ::

আদমদীঘি থানা গেটের সামনের সড়কের কার্পেটিং উঠে রাস্তার বেহাল অবস্থা

বগুড়া সংবাদ : বগুড়ার আদমদীঘি থানার মূল গেট থেকে পাকা সড়ক পর্যন্ত কার্পেটিং উঠে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই পথ দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ থানায় সেবা নিতে আসেন। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান সেবা প্রত্যাশীদের।

জানা গেছে, আদমদীঘি থানায় ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। এর মধ্যে শুধু সান্তাহার পৌরসভায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে। এলাকার আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ থানা এলাকার প্রতিটি নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, অপরাধ দমন এবং শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য দিন-রাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আদমদীঘি থানা ও সান্তাহার ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা। আদমদীঘি থানার সামনে এই উঁচু নিচু চলাচলের অনুপযোগী একমাত্র সড়কটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় মারাত্বক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পুলিশ সদস্য ও সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষদের। বর্তমানে সড়কে গর্ত সৃষ্টি হয়ে পানি জমে থাকছে। সড়কটি দিয়ে চলাচলের সময় মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের চাকা গর্তে পড়লে জমে থাকা নোংরা পানি ছিটকে গায়ে পড়ে কাপর নষ্ট হচ্ছে। মাত্র ৭০ ফিট উঁচু নিচু এই বেহাল সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর।
থানায় খবর সংগ্রহ করতে আসা গণমাধ্যম কর্মী তরিকুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি হলেই এই সড়কের গর্তে দীর্ঘক্ষণ পানি জমে থাকে। কাঁদাযুক্ত নোঙরা পানি মাড়িয়ে থানায় যাতায়াত করতে হয়।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক মহোদয়কে কয়েক বার বলা হয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী রিপন কুমার সাহ বলেন, এই উপজেলার প্রতিটি সড়কের উন্নয়নের জন্য আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতি মধ্যে সড়কটির এস্টিমেট তৈরি করে জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নিশাত আনজুম অনন্যা জানায়, জেলা প্রশাসক থেকে বরাদ্দ এলে থানার সামনের সড়কের উন্নয়ন কাজ করা হবে।

Check Also

ধানক্ষেতে মিলল ধান ব্যবসায়ীর মরদেহ, শেরপুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড

বগুড়া সংবাদ : বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ধান ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদ মন্ডলকে (৩৮) স্বাসরোধ ও পিটিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *