

বগুড়া সংবাদ : বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তিনি হাট পরিদর্শনকালে ইজারা প্রদান না করে খাস কালেকশন করা, টোল আদায়ের রসিদে টাকার পরিমাণ উল্লেখ না করা, বিক্রেতার কাছ থেকে টোল আদায়ের বিধান না থাকলেও ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকেই অতিরিক্ত টাকা আদায়, গাভীর গর্ভ পরীক্ষায় অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং হাটের টোল আদায়ের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করাসহ বিভিন্ন অনিয়ম দেখতে পান।
এসব অনিয়মের বিষয়ে তিনি দুপচাঁচিয়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরুখ খানকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে টোল আদায়ের নির্ধারিত মূল্য জনগণের মাঝে প্রচারের লক্ষ্যে মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান।
এ বিষয়ে দুপচাঁচিয়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরুখ খান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী হাট ইজারার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও দরপত্রে কেউ অংশগ্রহণ না করায় বাধ্য হয়ে খাস কালেকশন করা হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে ইজারার মাধ্যমে যে পরিমাণ রাজস্ব আদায় হতো, খাস কালেকশনের মাধ্যমে তার চেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় হচ্ছে। আগামীতে যেভাবেই হোক, ইজারার মাধ্যমে সর্বোচ্চ মূল্য নিশ্চিত করে হাটটি ইজারা দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে। অন্যান্য অনিয়মের বিষয়েও দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Bogra Sangbad সত্য সন্ধানে আমরা