বগুড়া সংবাদ : জনমতের ভিত্তিতে বগুড়ায় সিটি করপোরেশনের প্রসাশক পদে কাকে যোগ্য বলে মনে করছেন মহানগরের মানুষ।
চলতি সপ্তাহে বগুড়া পেতে যাচ্ছেন নতুন প্রশাসক বললেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।নানা জনের নানা মতের আড়ালে লুকিয়ে আছে অবশ্যই কারো নাম। অনলাইন জনমতের ভিত্তিতে আলোচনায় কে এম খায়রুল বাশার
সর্ব দিক থেকে এগিয়ে ।
ঐ দিকে বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক পদে নতুন মুখ আসছে—এমন গুঞ্জনকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রশাসক হিসেবে বিভিন্ন মহলে আলোচনায় উঠে এসেছে পাঁচ জনের নাম। তারা হলেন বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, বগুড়া সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আলী আজগর তালুকদার হেনা, বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি কেএম খায়রুল বাশার, এম আর ইসলাম স্বাধীন এবং বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বগুড়া সিটি করপোরেশন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক ইউনিট হওয়ায় এখানে প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে শুরু থেকেই আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ও প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের আলোচনার মধ্যে নতুন প্রশাসক কে হচ্ছেন—তা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।
আলোচনায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে স্বপ্নের সিটিতে প্রত্যাশার নেতৃত্ব মেয়র হিসেবে খায়রুল বাশারকে চান নগরবাসী
পৌরসভা থেকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হওয়ার ঘোষণার পর নবগঠিত বগুড়া শহরজুড়ে বইছে নতুন স্বপ্ন আর প্রত্যাশার হাওয়া। “কে হবেন প্রথম মেয়র?”—এই প্রশ্ন এখন চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গন পর্যন্ত সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। আর সেই আলোচনায় বারবার উঠে আসছে এক নাম—বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম খায়রুল বাশার।
বগুড়া পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণার পর থেকেই নগরবাসীর চোখে ভাসছে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত শহরের স্বপ্ন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের এই ঘোষণাকে ঘিরে শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত। সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে এখন প্রয়োজন একজন দূরদর্শী, সৎ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব—এমনটাই বলছেন সচেতন নাগরিকরা।
নগরবাসীর অভিমত, এই নতুন যাত্রায় নেতৃত্ব দিতে হলে এমন একজন মানুষ দরকার, যিনি দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার জন্য কাজ করবেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে একাধিক নাম শোনা গেলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কে এম খায়রুল বাশার।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে গভীর সম্পৃক্ততা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বগুড়ার সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। তার সাংগঠনিক দক্ষতা, দলের প্রতি অঙ্গীকার এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার মানসিকতা তাকে অন্যদের তুলনায় আলাদা করেছে—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
শুধু রাজনৈতিক পরিচিতিই নয়, নগর উন্নয়ন নিয়েও রয়েছে তার সুস্পষ্ট ভাবনা। যানজট নিরসন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ‘স্মার্ট সিটি’ নির্মাণ—এসব লক্ষ্য সামনে রেখে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। পাশাপাশি সুশাসন, স্বচ্ছতা ও নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।
নগরবাসীর প্রত্যাশা, নবগঠিত এই সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র হবেন এমন একজন, যিনি কেবল অবকাঠামো উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না, বরং গড়ে তুলবেন একটি বাসযোগ্য, মানবিক ও আধুনিক শহর। অনেকের বিশ্বাস—এই দায়িত্ব পালনে কে এম খায়রুল বাশার হতে পারেন সময়ের দাবি মেটানো একটি গ্রহণযোগ্য নাম।
তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনগণই। কিন্তু বগুড়ার অলিগলি থেকে নাগরিকদের কণ্ঠে যে প্রত্যাশার প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে—সেখানে স্পষ্ট, তারা খুঁজছেন একজন নেতৃত্ব, যিনি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবেন।
পাশাপাশি শোনা যাচ্ছে,
অ্যাডভোকেট হামিদুল হক চৌধুরী হিরু রং কথা যিনি দীর্ঘদিন ধরে আইন পেশার সঙ্গে জড়িত। নগর উন্নয়ন, নাগরিক অধিকার এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে বলে জানা যায়। রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে তার গ্রহণযোগ্যতাও রয়েছে বলে মত দিয়েছেন অনেকে।
অন্যদিকে বগুড়া সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আলী আজগর তালুকদার হেনা স্থানীয় সরকার প্রশাসনে অভিজ্ঞ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার দিক থেকে আলোচনায় রয়েছেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এছাড়া বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এম আর ইসলাম স্বাধীন এর নামও শোনা যাচ্ছে। দলের ক্রান্তিকালে যিনি মাঠে থেকে লড়াই সংগ্রাম করেছেন তিনি হলেন এম আর ইসলাম স্বাধীন। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক যোগাযোগের কারণেই হয়তো তার নামও সম্ভাব্য প্রশাসক তালিকায় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হতে পারে।
বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমও মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তার অবস্থান নিয়ে আলোচনা রয়েছে।
তবে প্রশাসক পদে কাকে চূড়ান্তভাবে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। তবে সম্প্রীতি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বগুড়াতে এসে নতুনকুঁড়ি স্পোর্টস এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে বক্তব্যকালে তিনি বলেন এ সপ্তাহে বগুড়া পাচ্ছে নতুন প্রশাসক, ফলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘিরে জল্পনা-কল্পনা আরও বাড়ছে।
এদিকে বগুড়াবাসীর প্রত্যাশা, যিনিই প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান না কেন, তিনি যেন নগরীর দীর্ঘদিনের সমস্যা—যানজট, জলাবদ্ধতা, সড়ক সংস্কার, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।
Bogra Sangbad সত্য সন্ধানে আমরা
