সর্বশেষ সংবাদ ::

সোনাতলায় ক্যান্সারে আক্রান্ত খাজা মিয়া বাঁচতে চায়

বগুড়া সংবাদ : বগুড়ার সোনাতলা উপজেলাধীন গড়ফতেপুর গ্রামের মৃত কাজী সিরাজুল ইসলামের দরিদ্র ছেলে খাজা মিয়া (৪৬) ২০২৪ সাল থেকে বøাড ক্যান্সার রোগে ভুগছেন। তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হেমাটোলজি বিভাগে ডাক্তার শাফিউল আজম-এঁর তত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছে। তৎকালীন প্রায় চার মাস চিকিৎসা নেয়ার পর ৩/৪ মাস সুস্থ ছিলেন। প্রত্যেক মাসে তিনি ওই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে কেমোথেরাপি দেন ও নিয়মিত প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করেন। তারপরও কতক মাসে রক্ত শূন্যতা দেখা দেয়। এতে খাজা মিয়া ও তার আপনজনরা দুশ্চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েন। চিকিৎসা করতে দরিদ্র খাজা মিয়ার মোটা অঙ্কের টাকা ব্যয় হয়েছে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রীর একজন শ্রমিক। খাজা মিয়া বøাড ক্যান্সার রোগে অসুস্থ হয়ে পড়ার ফলে তার আয়-রোজগার বন্ধ হয়েছে। সংসারে উপার্জন করার তিনিই একমাত্র। দরিদ্র হওয়ায় তার আপনজন ও শুভাকাঙ্খিদের কয়েকজন চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন। সমাজসেবা অধিদপ্তরে আবেদন করে একবার নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পেয়েছেন। নিজের সামান্য গচ্ছিত সব টাকা ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসা করার মতো তার হাতে আর টাকা নেই। এমতাবস্থায় আবারো সে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ১ এপ্রিল-২০২৬ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হেমাটোলজি বিভাগে ভর্তি হয়। সেখানে কয়েক দিন চিকিৎসা নেয়ার পর সামান্য আরোগ্য হলে ডাক্তার তাকে ছাড়পত্র দিলে সে গত ১২ এপ্রিল হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরে। তার স্ত্রী,এক মেয়ে ও এক শিশু ছেলে রয়েছে। মেয়েটি ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যায়ন করছে। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন দরিদ্র খাজা মিয়া। তিনি বাঁচতে চায়। তার জীবন বাঁচাতে অর্থের প্রয়োজন। দেশের হৃদয়বান,বিত্তবান ও কোনো সংস্থা চিকিৎসার জন্য সহায়তার হাত বাড়ালে আল্লাহর কৃপায় ও তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে পারে। সহায়তা পাঠাবার ঠিকানা: সঞ্চয়ী হিসাব নং ১২২-৬১২৯, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক,সোনাতলা শাখা,বগুড়া। বিকাশ নং ০১৯২৩-৫৫০৫৯৪। ক্যান্সার রুগী খাজা মিয়া ও তার আপনজনরা সবার কাছে দোয়া প্রার্থী।

Check Also

কাহালুতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

বগুড়া সংবাদ:  সারাদেশে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বগুড়ার কাহালু উপজেলা ও পৌর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *