সর্বশেষ সংবাদ ::

বগুড়ার শাহজাহানপুরে ছাত্রলীগ নেত্রীর বিউটি পার্লারে কি হচ্ছে : নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা

বগুড়া সংবাদ : বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের আতাইল বাজার ও হাটখোলাপাড়া এলাকায় সনি’স বিউটি পার্লার এন্ড ফ্যাশন হাউস মালিকের অতিরিক্ত টাকা হচ্ছে। এমনকি অতিরিক্ত টাকার দাবীতে বাড়ীতে গিয়ে বাড়ীতে ভাংচুর গালিগালাজ, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। আতাইলের বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম শাজাহানপুর থানায় লিখিত অভিযোগে প্রায় ২০ দিন আগে তার দুই ছোট ভাইয়ের স্ত্রী বাড়ীর পাশে আতাইল বাজারের একটি বিউটি পার্লারে সেবা নিতে যান। সেবা গ্রহণের পর পার্লারের মালিক মোছা:  সনিয়া খাতুন (২৪) নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। অতিরিক্ত অর্থ দাবির কারণ জানতে চাইলে তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখান। নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করা হলেও অতিরিক্ত টাকা দাবি অব্যাহত রাখেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সনিয়া খাতুন তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোনে এবং সরাসরি হুমকি দিতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ জুন ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তিনি অভিযোগকারীর বাড়ির সামনে এসে প্রধান ফটক ও জানালায় আঘাত করেন এবং পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং সুযোগ পেলে ক্ষতি করার ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
অপর দিকে থানায় অভিযোগ দেওয়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ১১ জুন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সোনিয়া জহুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে এসে তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করেন ও রান্নাঘর সহ বসতবাড়ীতে ভাংচুর করেন। এ সময় তার স্ত্রী ও মা প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা তাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে এবং বাড়ির ইটের দেয়াল, গ্যাসের চুলাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ১৫ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
একই দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে অভিযুক্তরা জহুরুল ইসলামের পরিচালিত মাছের হ্যাচারির সামনে গিয়ে গেটে লাথি মেরে তাকে গালিগালাজ করে এবং তার ব্যবসা ধ্বংস করার হুমকি দেয়। এ সময় তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় সোনিয়া নিজেকে ছাত্রলীগ নেত্রী দাবী করে বলেন, এলাকায় আমাকে কেউ কিছু করতে পারবেনা। আমার স্বামী টিএমএসএস এর নির্বাহী পরিচালক হোসনে আরার ভাগিনা। আমার স্বামীর পকেটে থানা পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী রহিমা বেগম জানায়, মাত্র ৫০ টাকার জন্য সোনিয়া পুলিশ ডেকে আনে।  আগে মেয়েটির দুটি বিবাহ হয়েছিল। তাদের স্বামী ভাল ছিল। তবে সোনিয়ার খাম খেয়ালী আচরনের কারণে সংসার বেশী দিন টিকেনি। তবে এবারের স্বামী হোসনে আরার ভাগিনা হওয়ার কারনে পুলিশ আনায় ভয়ে কেউ কিছু বলেনা। শাজাহানপুর থানা তদন্তকারী কর্মকর্তা শামসুজোহা জানান, অভিযোগ ও জিডির বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Check Also

‎গাবতলী পৌর বিএনপি জাইমা রহমান জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ ও মাহফিল অনুষ্ঠিত 

  বগুড়া সংবাদ  ‎(জাহাঙ্গীর আলম লাকি গাবতলী বগুড়া) :  সোমবার ২৫অক্টোবর বগুড়ার গাবতলীতে পৌর বিএনপির …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *