
বগুড়া সংবাদ : শিক্ষার্থীদের মেধা, কৃতিত্ব ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করতে বগুড়ায় তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন পরিচালিত তানযীমুল উম্মাহ , হিফয ও গার্লস প্রি-হিফয মাদরাসা অনাবাসিক রহমাননগর শাখাসমূহের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে দিনব্যাপী ২টি সেশনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে মাদরাসার বিভিন্ন শাখার কৃতী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। প্রথম সেশনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর মোহাম্মাদ হাবিবুল্লাহ আল আমিন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন, ঢাকার ভাইস চেয়ারম্যান ড. মিম আতিকুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া মহানগরীর সেক্রেটারি আ স ম আব্দুল মালেক, তানজিমুল উম্মাহ হিফজ মাদ্রাসা রংপুর শাখার প্রিন্সিপাল, হাফেজ মহিউদ্দিন,
তানযিমুল উম্মাহ মাদ্রাসা টাঙ্গাইল শাখার প্রিন্সিপাল, হাফেজ খাইরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসার রহমাননগর শাখার প্রিন্সিপাল নাজমুল হাসান মিজান।
দ্বিতীয় সেশনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি মোস্তাফাবিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল লতীফ, বিশেষ অতিথি ছিলেন জোড়া নাজমুল উলুম কামিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সালাম, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ড. মো. মীম আতীকুল্লাহ । সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর মোহাম্মাদ হাবিবুল্লাহ আল আমিন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গার্লস প্রি-হিফয মাদরাসা অনাবাসিক রহমাননগর শাখা প্রধান আতাউর রহমান।
অনুষ্ঠানে তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসার রহমাননগর শাখার শিক্ষার্থীরা মনমুগ্ধকর হামদ-নাত ও ইসলামী সংগীত পরিবেশন করে। তাদের হৃদয়স্পর্শী পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে এক আবেগঘন ও মনোরম পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকরা তাদের পরিবেশনা উপভোগ করেন এবং উৎসাহ দেন।
এ সময় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত সাফল্য, কুরআন তিলাওয়াত, ইসলামী সংগীত, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।
পুরস্কার ও সনদ হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তাদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ, আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার যথাযথ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি পড়াশোনা, কুরআন হিফয, সৃজনশীলতা ও সহশিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে তাদের আরও উৎসাহিত করতেই প্রতিবছর এ ধরনের আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা, আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।