
বগুড়া সংবাদ :সোনাতলায় সহজ-সরল মানুষদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ও নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৪ আগষ্ট বিকেলে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। সম্প্রতি,এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে বগুড়া-১ আসনের এমপি আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলামের প্রচেষ্টায় ও বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে সোনাতলা উপজেলার তেকানী চুকাই নগর ইউনিয়নের মহব্বতেরপাড়া,খাবুলিয়া ও দাউদিয়ারপাড়া গ্রাম যমুনা নদী ভাঙন রোধে কিছুদিন ধরে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ স্থাপনের কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ আমাদের এলাকা নদী ভাঙন রোধে বালু সংগ্রহের জন্য একই এলাকার সবুজ মিয়া-সহ কয়েকজন বালু ব্যবসায়ী জনৈক ঠিকাদারকে বালু সরবরাহের দায়িত্ব নেন। সুযোগ বুঝে বালু সরবরাহকারীরা এখানকার বালু পার্শ্ববর্তী গাইবান্ধা এলাকায় বালু বিক্রি করছে। এতে বাধা দিলে সবুজ ও তার লোকজন নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এমনকি আমাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাদাবীর অভিযোগ করেছেন থানায়। এর প্রতিবাদে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে অসংখ্য নারী-পুরুষ নদীর তীরে মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেছেন, আমাদের বসতবাড়ী,আবাদী জমি ও গাছপালা নদী ভাঙনের কবল থেকে রক্ষার লক্ষ্যে ইতিপূর্বে মানববন্ধন,সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। অবগত করার প্রেক্ষিতে বগুড়া-১ আসনের এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম,বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির,শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাই-সহ সোনাতলা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গদলের নেতাকর্মিরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এসব কর্মসূচি বিষয়ে মোহনা টেলিভিশন ও দৈনিক সাতমাথা-সহ অন্যান্য টেলিভিশনে ও পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এমপির প্রচেষ্টায় ও বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় ভাঙন স্থানে বালু ভর্তি জিওব্যাগ স্থাপনের কাজ চলছে। এলাকার সবুজ মিয়া-সহ আরো কয়েকজন বালু ব্যবসায়ী বালু সরবরাহের দায়িত্ব নিয়েছেন এখানকার কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারের কাছ থেকে। তারা সুযোগ বুঝে এখাকার বালু অন্য এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন। তাদেরকে এ অন্যায় কাজে নিষেধ করলে উল্টো আমাদেরকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। আমাদের কিছু সহজ-সরল মানুষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছে বলে এমনটি শোনা যাচ্ছে। তাদের কেউ কেউ দিনমজুরীর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বক্তারা আরো বলেন, আমরা নাকি সবুজ মিয়া ও তার সঙ্গের লোকদের কাছ থেকে চাঁদা হিসেবে টাকা চেয়েছি। আমরা নাকি বালুভর্তি জিওব্যাগ কেটে ফেলেছি। এসব মিথ্যা অপবাদকারীদের বিরুদ্ধে আজকে এই মানববন্ধনের আয়োজন করি। প্রশাসনের কাছে আমাদের আকুল আবেদন যে, সবুজ-সহ কয়েকজন একসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে বালুর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তারাই আমাদেরকে মিথ্যা ঘটনায় জড়িয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এদিকে সবুজ মিয়া বলেছেন,আমি বা আমরা কখনো অন্যতরে বালু বিক্রি করিনি। এখানকার বালু অন্যতরে বিক্রি করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। ওদের কয়েকজন আমার কাছ থেকে চাঁদা হিসেবে টাকা চেয়েছে। না দেয়ার কারণে কিছু জিওব্যাগ কেটে ফেলেছে।