
বগুড়া সংবাদ : বগুড়ায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে রয়েছে। জেলায় প্রতিবারের মতো এবারও সাফল্য ধরে রেখেছে স্বনামধন্য পাঁচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শীর্ষ এই পাঁচ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটিই অর্জন করেছে শতভাগ পাসের গৌরব। তবে জিপিএ ৫ প্রাপ্তির হারে এবার জেলার সব প্রতিষ্ঠানকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছে বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
জানা যায়, বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর মোট ২১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাস করেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ফল জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৮৪ জন। পরীক্ষার্থীর সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র ছিল বিয়াম মডেল স্কুল ও কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৪৩৬ জন পরীক্ষার্থীর সবাই শতভাগ পাস করেছে। এখান থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৪৩ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে বগুড়া জিলা স্কুলে ২২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২৩ জন পাস করলেও অকৃতকার্য হয়েছে একজন। বিদ্যালয়টি থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৭৫ জন শিক্ষার্থী শহরের অন্য দুটি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) পাবলিক স্কুল শতভাগ পাসের রেকড গড়েছে। ৩৫৭ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৭৬ জন। বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪১৮ জন পাস করেছে। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩২৪ জন শিক্ষার্থী। স্কুল অভ দ্যা হলি কুরআন এ শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান আকন্দ জানান, শিক্ষার্থীদের সব সময় নিজের সন্তানের মতো করে দেখভাল করেছি। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমার আরেকটি পরিবার। তারা ভালো পরীক্ষা দিয়েছে। ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। তাদের ফলাফলে আমি খুশি। আমি আশা করি তারা আগামীতে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আরও ভালো ফলাফল অর্জন করবে।
জেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বগুড়া জেলায় মোট ৩২ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৩ হাজার ৩৮৯ জন। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৭৮ জন। মোট পাসের হার ৭২ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রমজান আলী আকন্দ জানান, জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল সন্তোষজনক। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পেছনে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।