বগুড়া সংবাদ (জাহাঙ্গীর আলম লাকি গাবতলী বগুড়া) : গাবতলী উপজেলার মমিনহাটায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর পরিবেশে ১৬ প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী রাধা-গোবিন্দের লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় মমিনহাটা শ্রীশ্রী রাধা-গোবিন্দ লীলা কীর্তন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি শুভ অধিবাসের মাধ্যমে শুরু হয়ে ধারাবাহিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কীর্তন পর্বে সর্বাধিক জমকালো রূপ লাভ করে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।আয়োজকদের তথ্যমতে ১৬ প্রহরব্যাপী লীলা কীর্তনের প্রধান আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ভক্তদের ব্যাপক সমাগম ঘটে।যেখানে ধর্মীয় সংগীত, নামসংকীর্তন ও আধ্যাত্মিক পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো মমিনহাটা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জননেতা জনাব মোরশেদ মিলটন, মাননীয় সংসদ সদস্য, বগুড়া-৭, সহ-সভাপতি, বগুড়া জেলা বিএনপি এবং সভাপতি, গাবতলী উপজেলা বিএনপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আতিকুর রহমান পিন্টু, সভাপতি, সুখানপুকুর ইউনিয়ন বিএনপি, রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, সুখানপুকুর ইউনিয়ন বিএনপি, গাবতলী উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি রুহুল হাসান রুহিন,বাবু অলোক চৌধুরী, সভাপতি, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, গাবতলী উপজেলা শাখা, বাবু শরত চন্দ্র রায়, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক, এম আর এম উচ্চ বিদ্যালয় ও সভাপতি, আমতলী মহাশ্মশান রাশেদ আহমেদ (বাবু), বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, বাবু হিমাংশু চন্দ্র রায় (ভোলা), সাধারণ সম্পাদক, আমতলী মহাশ্মশান,
এ ছাড়া সুখানপুকুর ইউনিয়ন বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাবু ভরত চন্দ্র মজুমদার, সভাপতি—মমিনহাটা শ্রীশ্রী রাধা-গোবিন্দ লীলা কীর্তন পরিষদ এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বাবু সমীরণ সিংহ (সজীব)। এ ছাড়া অনুষ্ঠান সফল করতে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন মমিনহাটার সর্বস্তরের জনসাধারণ। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে মমিনহাটার সার্বিক উন্নয়নের বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি এলাকার দীর্ঘদিনের দাবি—রাস্তা পাকাকরণ, মন্দির-মসজিদ উন্নয়ন এবং স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি এলাকার মানুষকে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের আহ্বান জানান। পুরো আয়োজন জুড়ে ধর্মীয় সংগীত, কীর্তন ও আধ্যাত্মিক আলোচনার মাধ্যমে মমিনহাটায় সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ। বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণির মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।